সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
রোনালদোর ডাকে সাড়া দিয়ে সৌদিতে ঘুরে দাঁড়াতে চান ফেলিক্স!
অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ব ফুটবলে যখন একের পর এক তারকা সৌদি প্রো-লিগে পা রাখছেন, তখন পর্তুগালের তরুণ বিস্ময় জোয়াও ফেলিক্স ঘিরে নতুন উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাবেক অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ ও চেলসি ফরোয়ার্ড এবার যাচ্ছেন আল-নাসরে—আর তাঁকে সেখানে টেনে এনেছেন আর কেউ নন, পর্তুগালের ফুটবল রাজপুত্র ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো নিজেই!
ফরাসি ক্রীড়ামাধ্যম Foot Mercato জানিয়েছে, ৪০ ছুঁই ছুঁই রোনালদো ফেলিক্সকে বোঝাতে দিয়েছেন এক ‘অজেয় যুক্তি’—জাতীয় দল। তিনি বুঝিয়েছেন, আল-নাসরে ৪০ থেকে ৫০টি ম্যাচে একসঙ্গে খেলা মানে মাঠে বোঝাপড়ার নতুন মাত্রা, যা ২০২৬ বিশ্বকাপে কোচ রবার্তো মার্টিনেজের চোখে ফেলিক্সের অবস্থান পোক্ত করবে।
জাতীয় দলের স্বপ্ন পূরণের হাতছানি ফেলিক্সকে না ভাবিয়ে পারেনি। অতএব, তিনি রাজি হয়েছেন সৌদি প্রো-লিগে নতুন করে নিজেকে খুঁজে নিতে।
গত মৌসুমে চেলসিতে জায়গা হয়নি, এসি মিলানে ধারে গিয়ে কাটিয়েছেন আধা-আলোর সময়। ২৫ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং ফরোয়ার্ড নিজেকে প্রমাণ করতে মরিয়া। এবার আল-নাসরের হয়ে চুক্তি হচ্ছে ২৬ মিলিয়ন পাউন্ডে, দুই বছরের মেয়াদে। বার্ষিক বেতন পাবেন ১০ মিলিয়ন ইউরো।
এক সময় যিনি ইউরোপের সবচেয়ে মূল্যবান তরুণ ছিলেন, সেই ফেলিক্স অ্যাটলেটিকোয় হয়ে পড়েন ছন্দহীন, চেলসিতে ছিলেন ম্লান, মিলানে প্রায় অদৃশ্য। এখন তাঁর লক্ষ্য, রোনালদোর ছায়ায় আবার জ্বলে ওঠা।
সৌদি প্রো-লিগ এখন আর শুধু অর্থে ভরপুর নয়, বরং বিশ্ব তারকাদের আলোয় উজ্জ্বল এক মঞ্চ। রোনালদোর সঙ্গে নিয়মিত খেলা ফেলিক্সের আত্মবিশ্বাস ফেরাতে পারে, আবার জাতীয় দলের জার্সিও নিশ্চিত করতে পারে।
আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পন্ন হলেই তিনি যোগ দেবেন আল-নাসরের অস্ট্রিয়া প্রাক-মৌসুম ক্যাম্পে।
এক সময় ইউরোপীয় ফুটবলের মোস্ট ওয়ান্টেড তরুণ হিসেবে পরিচিত ফেলিক্স এবার ফিরতে চান লড়াকু আত্মায়। সৌদি প্রো-লিগের দুনিয়ায় তাঁর বড় অস্ত্র—বিশ্বকাপ জয়ের ক্ষুধা আর পাশে থাকা একজন কিংবদন্তি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।
২০২৬ বিশ্বকাপে পর্তুগালের লাল-সবুজ জার্সি গায়ে তোলার লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ হয়তো হতে যাচ্ছে জোয়াও ফেলিক্সের ক্যারিয়ারের নতুন মোড়।